(ক) সর্ব প্রথম নাজিলকৃত আয়াত “পড়, তোমার প্রভুর নামে…” পড়া তথা জ্ঞান অর্জনের প্রতি গুরুত্ব নির্দেশ করে।
(খ) প্রত্যেক নামাজের পর বিশেষ করে ফজর নামাজ শেষের পরিবেশটা কোরআন-হাদিস তথা জ্ঞান চর্চার জন্য খুবই উপযুক্ত। আর ব্যাস্ততার এ সময়ে ছুটির দিন অর্থাৎ শুক্রবার ফজরের পরের সময়টা রক্ষনশীল পরিবারের বেশিরভাগ মানুষ একাগ্রতা ভরে কোরআন তিলাওয়াত করে থাকেন। কেউ কেউ হাদিস ও অন্যান্য অনেক গুরুত্বপুর্ন অজিফা ও জিকির আজগারে মনোনিবেশ করেন।
(গ) আমি হোমনার উপজেলা সদরে থাকি। আমার আশেপাশে সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অসংখ্য মাদ্রাসা রয়েছে যেগুলো কিনা আদর্শ মানুষ তথা ভালো মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব পালন করে। নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের কাছে গুরুত্ব বহন করে থাকে।
(ঘ) এ মাদ্রাসা গুলোর মধ্য থেকে কোন একটি মাদ্রাসা থেকে উচ্চস্বরে মাইকের শব্দ ভেসে আসে ঠিক তখন যখন সুর্যদয়ের আরো ৫ থেকে ১০ মিনিট বাকি থাকে । মাইক থেকে ভেসে আসা শব্দগুলো কিছু হামদ, কিছু নাতে রাসুল, কিছু আবার মাদ্রাসা নিয়ে রচিত গান, কিছু কোরআন তেলাওয়াত, কিছু জিকির আর বাকীটা সময় পুরাটাই কবরবাসীদের নাজাতের জন্য দান খয়রাতের গুরুত্ব বর্ননা করে মাদ্রাসায় টাকা দানের জন্য উৎসাহ প্রদান। সেক্ষেত্রে কে কত টাকা মাদ্রাসায় দান করছে তার ঘোষণা মাইকে ফলাও করে প্রকাশ। এবং প্রায় ১ ঘন্টা ধরে চলতে থাকে।
(ঙ) প্রযুক্তির উন্নতির কারনে মাইকের ক্ষমতা আগের চাইতে অনেক গুন বাড়লেও আমাদের মনোযোগ দেয়ার ধৈর্য কমেছে আরো বেশি। শব্দের মাত্রাতিরিক্ত ভলিয়ুম আমাদের শ্রবনেদ্রিয়কে খুব বেশি নাজেহাল করে ছাড়ছে।
প্রশ্ন ১
ফজরের নামাযের পরবর্তী সময়টা যেখানে কোরআন তিলাওয়াত, হাদিস অধ্যায়ন তথা অন্যান্য জিকির আজগারের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে বলা হয়ে থাকে, সেই সময়ে এই জাতীয় উচ্চ শব্দ (ঙ) ব্যাবহার করাটা কতটা সঠিক (?) এ ব্যাপারে কোরআন, হাদিস এবং ইজমা কিয়াসের মতামত কি (?)
প্রশ্ন ২
যদি ১নং উত্তর ‘'হ্যা” হয়ে থাকে তবে আমরা কি করবো? কোরআন-হাদিস অধ্যায়ন আর জিকির বাদ দিয়ে তাদের মাইকের শব্দের দিকে খেয়াল করে বসে থাকবো(?) নাকি তাদের মাদ্রাসায় গিয়ে এ সময়টা কাটিয়ে আসবো এবং তাদের মাদ্রাসায় দান খয়রাত করবো(?)
প্রশ্ন ৩
যারা একাগ্রতা সহকারে ঘরে বসে ইবাদত করতে চান কিন্তু ঐ উচ্চ মাত্রার শব্দের কারনে পারেন না বিশেষ করে বৃদ্ধ এবং প্রৌঢ়রা, তারা কি করবে(?)
প্রশ্ন ৪
এই সময়ে কোমলমতি ছেলে মেয়েদের বছর শেষের মুল্যায়ন পরীক্ষা চলছে। সকালের এই বিশেষ গুরুত্বপুর্ন সময়ে কি করে পড়বে(?)
ফজরের নামাযের পরবর্তী সময়টা যেখানে কোরআন তিলাওয়াত, হাদিস অধ্যায়ন তথা অন্যান্য জিকির আজগারের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে বলা হয়ে থাকে, সেই সময়ে এই জাতীয় উচ্চ শব্দ (ঙ) ব্যাবহার করাটা কতটা সঠিক (?) এ ব্যাপারে কোরআন, হাদিস এবং ইজমা কিয়াসের মতামত কি (?)
প্রশ্ন ২
যদি ১নং উত্তর ‘'হ্যা” হয়ে থাকে তবে আমরা কি করবো? কোরআন-হাদিস অধ্যায়ন আর জিকির বাদ দিয়ে তাদের মাইকের শব্দের দিকে খেয়াল করে বসে থাকবো(?) নাকি তাদের মাদ্রাসায় গিয়ে এ সময়টা কাটিয়ে আসবো এবং তাদের মাদ্রাসায় দান খয়রাত করবো(?)
প্রশ্ন ৩
যারা একাগ্রতা সহকারে ঘরে বসে ইবাদত করতে চান কিন্তু ঐ উচ্চ মাত্রার শব্দের কারনে পারেন না বিশেষ করে বৃদ্ধ এবং প্রৌঢ়রা, তারা কি করবে(?)
প্রশ্ন ৪
এই সময়ে কোমলমতি ছেলে মেয়েদের বছর শেষের মুল্যায়ন পরীক্ষা চলছে। সকালের এই বিশেষ গুরুত্বপুর্ন সময়ে কি করে পড়বে(?)
বিদ্রঃ দয়া করে পোস্টটাকে কেউ উস্কানিমূলক, রাজনৈতিক কিংবা কটাক্ষের মোড়কে প্যাকেটা করার চেস্টা করবেন না। সাধারন মানুষ, মুসলিম এবং একজন অভিভাবক হিসেবে প্রশ্ন গুলো আসতেই পারে। যারা এর উত্তরগুলো জানেন প্লিজ রেফারেন্স সহ মন্তব্যে জানান।
